হইচই লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হইচই লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আমাদের যৌনযন্ত্র ~ তৈমুর খান



আমাদের যৌনযন্ত্র
তৈমুর খান


আজ শুধু লিঙ্গেরই গান গাহিব। লিঙ্গই ধর্ম লিঙ্গই জীবন। লিঙ্গ ছাড়া ইহকালে আমাদের আর কিছু নাই। কোনও কোনও ধর্মে পরকালেও নাকি লিঙ্গসুখই বড়ো সুখ বলিয়া ব্যাখ্যা করা হইয়াছে। কিন্তু তাহার নাগাল পাইবার ক্ষমতা আমাদের নাই। আমরা শুধু ইহকালেরই কথা বলিয়া ক্ষান্ত হইব।

বিরোধীশক্তিই গণতন্ত্রের একমাত্র রক্ষাকবচ ~ নাসির ওয়াদেন



বিরোধীশক্তিই  গণতন্ত্রের একমাত্র রক্ষাকবচ
নাসির ওয়াদেন

বহু ভাষা, বহুজাতি, বহু ধর্ম সমন্বিত আমাদের দেশ,ভারত। বিভিন্ন ঘটনা যেভাবে আমাদের দেশে সংঘটিত হচ্ছে বা ঘটানো হচ্ছে তাতে দেশের অখণ্ডতা বিপন্ন । সাম্প্রতিক মহামান্য উচ্চতম ন্যায়ালয় যে আদেশ বা নির্দেশ দিয়েছেন তাতে জনগণের মধ্যে ভরসার আলো বিচ্ছুরিত হয়েছে বলা যেতেই পারে । স্বাধীনতার ৭২ বছর পরেও ভারতকে একটা সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে ,যখন "এক দেশ,এক জাতি "গঠনের কথা উঠছে, তখন দেখছি ভারত ক্রমাগত পিছনে হাঁটছে । এই দীর্ঘ সময় একটা দেশের কাছে কম সময় নয়, তথাপি স্বাধীনোত্তর ভারত যে অগ্রগতির পথে চলার কথা তার লক্ষ্য পথ থেকে অনেকটা পিছনে। ১৯১৭সালে রাশিয়ার পটপরিবর্তন বিশ্বের জনগণের মধ্যে নতুন আশা, উদ্দীপনা লক্ষ করা গেলেও,ব্রিটিশরা দেশ ছেড়ে যাওয়ার সময়ে যাঁরা দেশকে গড়ার মহান দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাঁরা সঠিক দ্বায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন। বিশ্ব সমাজতাত্ত্বিক দার্শনিক কার্ল মার্ক্স -এর দৃষ্টিতে ভারতের বিপ্লবের যাবতীয় গুণাবলী থাকা সত্ত্বেও ভারতে গণবিপ্লব সংঘটিত হলো না, অথচ,নানান সমস্যা সংকুল,ছত্রভঙ্গ আফিমগ্রস্ত চীন সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে গেল।ভারতের মতো সমস্যা জর্জরিত দেশ অন্ধকারের কূপমণ্ডূকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারল না ।কৃষক, শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত শ্রেণী যে স্বপ্ন দেখেছিল, ভারত আত্মমর্যদাশীল হয়ে দেশকে বিশ্বের উন্নতশীল দেশে উপনীত হবে, সেই স্বপ্নে জল পড়ে যায় ।ভারতীয়দের মধ্যে আর্থিক, শারীরিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক আক্রমণ অব্যাহত থাকে। ইংরেজ দেশের ভার জোতদার, জমিদারের হাতে সঁপে যায়, ফলে ভারতের ভাগ্যাকাশে সিঁদুরে মেঘ থেকেই যায় ।

ওয়েবজিনের প্রাসঙ্গিকতা ~ নাসির ওয়াদেন



ওয়েবজিনের প্রাসঙ্গিকতা
নাসির ওয়াদেন

অন্তর্জাল সাহিত্য প্রসঙ্গে বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, আজকাল হু হু করে এর বিস্তার ঘটছেএর ভালমন্দ আলোচনা করার আগে আমাদের সাহিত্য প্রকাশের মাধ্যমগুলো জানতে হবে। ম্যাগাজিন সাহিত্য সৃষ্টির অন্যতম হাতিয়ার এবং নিজের সাহিত্য সৃষ্টিকে অপরের কাছে পৌঁছানোর এক মাধ্যমআমরা দেখেছি যে,

আসুন ঘাস খাই ~ পার্থ বসু



আসুন ঘাস খাই
পার্থ বসু

অনুকূলবাবু ঠিক করেছিলেন ঘাস খাবেনগরু ঘোড়া অশ্ব দিব্যি ঘাস খেয়ে বেঁচে আছেরবি ঠাকুরের সেই ছড়াটি মনে আছে তো?

পরিণতিতে দুদিন না যেতে যেতে বিজ্ঞানে একটি মহা শোকবার্তা লিপিবদ্ধ হয়েছিল

জীবাত্মা ~ মৈ মৈত্রেয়ী


জীবাত্মা
মৈ মৈত্রেয়ী

ওলো মেয়ে, আদ্রা এসে পড়বে যে মা। উঠে পড়ো। ক্লান্তির সাগরে মুক্তো খুঁজলে গুগুলিই উঠবে মা। একরাশ বন্ধনী তোমার জন্য রাখা আছে যে। তেল চকচকে কলা পাতায় দই চিড়ে মেখে এনেছি সোনা খেয়ে নাও।

কেন্দ্রীয় ফিন্যান্স কমিশন: এক নির্লজ্জ শোষনের ধারাবাহিকতা ~ সিদ্ধব্রত দাস


কেন্দ্রীয় ফিন্যান্স কমিশন:
এক নির্লজ্জ শোষনের ধারাবাহিকতা
সিদ্ধব্রত দাস

যেকোনো সরকারের মূলে হলো রাজস্ব আদায় এবং তার দ্বারা রাষ্ট্রের উন্নয়ন। এই নিরিখে সরকার বাজেট পেশ করে এবং প্রতি বছর নির্ণয় করে কোন খাতে কত ব্যায় করবে এবং সেই অর্থ কোথা থেকে আসবে। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে ভারত যেহেতু একটি উপনিবেশ ছিল মাত্র তার অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছিলোনা। ব্রিটিশ সরকারের মূল লক্ষ্য ভারতের উন্নয়ন ছিল না, ছিল তাদের নিজেদের উন্নয়ন। যতটুকু না দিলেই নয়, ততটাই আমরা পেতাম।

সিবিএসইর উত্থানে রাজ্যের আর্থ-সামাজিক সর্বনাশ ~ সিদ্ধাব্রত দাস



সিবিএসইর উত্থানে
রাজ্যের আর্থ-সামাজিক সর্বনাশ
সিদ্ধাব্রত দাস

ভারত যখন স্বাধীন ভাবে পথ চলা শুরু করে তখন শিক্ষাকে রাজ্য তালিকায় রাখা হয়েছিল। পরে ১৯৭৫ এর জরুরি অবস্থার সময়ে ইন্দিরা গান্ধী সরকার সংবিধানের ৪২ম সংশোধনের দ্বারা শিক্ষাকে রাজ্য তালিকা থেকে যৌথ তালিকায় নিয়ে আসে শিক্ষার প্রসার ঘটানোর অজুহাত দিয়ে। ১৯৭৬ এর আগে শিক্ষার নীতি নির্দ্ধারণ করত রাজ্য। কিন্তু ১৯৭৬ থেকে শিক্ষার নীতি নির্দ্ধারণ করতে শুরু করে কেন্দ্র, রাজ্য উভয়

ভাওয়াইয়াঃ হাটে মাঠে ঘাটে ~ সুবীর সরকার



ভাওয়াইয়াঃ হাটে মাঠে ঘাটে
সুবীর সরকার

ও জীবন রে/জীবন ছাড়িয়া না যাইস মোকে
১।
উত্তরবাংলার প্রাণবন্ত লোকসংগীত ভাওয়াইয়া। উত্তরবাংলার শ্রেষ্ঠতম লোকসংগীত ভাওয়াইয়া। আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষিতের জায়মানতায় যুগ যুগ ধরে লোকপরম্পরায় নির্মিত হয়েছে ভাওয়াইয়া। উত্তরবাংলার আদি বাসিন্দা ভূমিপুত্র রাজবংশী জনগোষ্ঠী লালন পালন করেছে কৌম সংস্কৃতির পরিচয়বাহী এই গান।

তৈমুর খান~একটি অপ্রকাশিত কবিতা এবং অকপট স্বীকারোক্তি

মাঝবয়সী মহিলাটি জানতে পারলাম ওর মা। পায়ের চপ্পল খুলে পটাপট দুই গালে মারতে মারতে বললেন, তোর বিবি-বাচ্চা থাকা সত্ত্বেও আমার মেয়েকে নিয়ে কী খেলা খেললি বল ! তু মাস্টার, তোর কি লজ্জা শরম কিছুই নাই। বেহায়া! হারামজাদা ! ছোটোলোক ! আমি আর থুবড়ি মেয়াটার বিয়ে দিতে পারব?.... অকথ্য গালিগালাজ আর প্রহারের পর জনৈক মাস্টারমশাইকে ছেড়ে দিয়ে ভিড়ের ভেতর মহিলা দুজন কখন অন্তর্হিত হলেন আর দেখতে পেলাম না। এদিকে ছাড়া পেয়ে মাস্টারমশাইও সকলের দৃষ্টি এড়িয়ে স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা একটা বাসের তলায় হামাগুড়ি দিয়ে সরীসৃপের মতো যেতে লাগলেন। আমি কিছুই না বুঝতে পেরে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়েই থাকলাম। একজন হোমরা-চোমরা গোছের লোক এসে আমার জামার কলারে ধরে দু-ঘুসি বসিয়ে দিলেন আর বললেন, শ্লা, জায়গা পাওনি, বাসস্ট্যান্ডে মেয়েদের সঙ্গে লীলা করতে এসেছ?~~~~~~~~~~~~~~~~~

বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য~একটি আষাঢ়ে কাহিনী

শক্তি হাত তূলে বলল - থাক। তারপর আমার হাত থেকে লেখাগুলো নিয়ে নাকের কাছে ধরে বললঃ কোন গন্ধ নেই। এগুলো কবিতা নয়, ছন্দোবদ্ধ শব্দ। কাঠামোতে প্রাণ আনো, প্রাণ এলেই ঘ্রাণ আসবে। চেষ্টা করে যাও, ধীরে ধীরে হবে। আমার নাকে একটা স্নিগ্ধ গন্ধ আসছিল, যদিও খুব মৃদু, কোথা থেকে বুঝতে পারলাম না। এমন সময় মেঘ সরে গেল। খাঁদের পাশে চাঁদ ডাকল আয়, আয়, আয়! শক্তি চাঁদের মধ্যে চলে গেল। একাই গেল। বিজলি নেই। বারান্দার টবে রজনীগন্ধা গন্ধ সুধা ঢালছে। শান বাঁধান মেঝেতে ঠিকরে পড়ছে বাঁধ ভাঙ্গা চাঁদের হাসি। চেয়ারের উপর উন্মুক্ত গীতাঞ্জলি। কিছুই দেখতে পাচ্ছিনা, শুধু অনুভব করছি, চাঁদের আলোয় আর বর্ষার মেঘে মিলেমিশে একাকার হয়ে গীতাঞ্জলির সৌরভ ছড়িয়ে যাচ্ছে দিকময়।~~~~~~~~~~~~~~~~~

সৈয়দ ওয়ালী - আমরা ভাবের পাগল, রসিক নাগর


শুধুমাত্র টেকনিক জেনে রসিক এবং রসসৃষ্টিকারী (রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, লালন, জীবনান্দদাশ) হওয়া যায় না, হওয়া যায় না একজন হুমায়ুন আজাদ কিংবা সব্যসাচী সৈয়দ শাম সুল হকআমরা অনেকেই জানি যে, হুমায়ুন আজাদ একজন ভাষা বিজ্ঞানীও বটেকিন্তু বিশ্বাস করুন তার ভাষা বিজ্ঞানের বই আজ পর্যন্ত আমার পড়া হয়নি অথচ তার কবিতার বই আমার সাথে সাথে বাসে বাসে ঘোরে, কি আশ্চর্য তাই না? এমনই হয়, আমারা এই বদ্বীপরে মানুষেরাই এমনতাই বলছিলাম, ভাব থাকতে হয়, ভাবভাব থাকলে টেকনিক অর্জন করে নেয়া যায়আমি এমন অনেক কবিকে  তাদের সাক্ষাৎকারে বলতে শুনেছি যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে, লিখছেন না কেন, সে উত্তর দিয়েছে, লেখা আসছে না, ভাব নেই, ভাব তাকে ছেড়ে চলে গেছে কিংবা ভাব শুকিয়ে গেছেএই হচ্ছ আসল কথা, টেকনিক দখলে থাকলেই লেখা বেরুবে না, রুপ-রস-গন্ধ সৃষ্টি হবে নাভাব থাকতে হবে, এই ভাবই আসল বস্তু ~~~~~~~~~~~~~~~~

তোমার আলোয় তোমায় দেখি * কাকলি ভট্টাচার্য্য

"রাজা"--থেকেই রবীন্দ্রনাথের প্রকৃত তত্ত্ব প্রধান নাটকের যাত্রা শুরু। যেখানে দেখান হয়েছে প্রকৃত প্রেমের দহন ও মুক্তি। "অচলায়াতনে" - সংস্কারের যাবতীয় বন্ধনকে ছিন্ন করবার আহবান জানিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। "ডাকঘর" - নাটকে রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু ভাবনা এক শিশুর মানসপটে আত্মপ্রকাশ করেছে। রবীন্দ্রনাথ এই নাটক সম্পর্কে বলেছিলেন ' এর মধ্যে গল্প নেই। এ গদ্য লিরিক।'  "ফাল্গুনী"র মধ্যে দিয়ে পুরাতন কেই নতুন করে দেখেছেন এই মহা- নাট্যকার। মুক্তধারা নাটকে যন্ত্রসভ্যতার নিরমমতার বিরুদ্ধে প্রান দিয়েছেন এই নাটকের নায়ক অভিজিৎ"রক্তকরবী" তে পাশ্চাত্যের ধনতান্ত্রিক সভ্যতার অন্তরালে যে অন্তসারশূন্যতা আছে তাকেই তুলে ধরেছেন রবীন্দ্রনাথ। এই নাটকের নায়িকা নন্দিনী সম্পর্কে জানিয়েছেন" মাটির উপরিতলে যেখানে রূপের নৃত্য যেখানে প্রেমের লীলা, নন্দিনী সেই সহজ সুখের, সহজ সৌন্দর্যের।" কালের যাত্রায়"-- রবীন্দ্রনাথ পরিবর্তনশীল এক চিরন্তন সত্যকে উচ্চারন করেছেন। ক্ষমতার মহে শাসক দল মানুষকে উপেক্ষা করলে আবার আসে উলটো রথের পালা। তখন ঘটে উচুতে নিচুতে বোঝাপড়া।   ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

জীবনচর্চায় নান্দনিকতার স্থিতি * শাখা নির্ভানা


কেন আমরা খুজতে যাব শিল্প-সাহিত্যের মৌলিকতা? কেনইবা জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে যাব শিল্পের নান্দনিকতা? যা দিন কাল পড়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার মতন বিষয় মুখ থুবড়ে পড়ছে। যেখানে পুরো জাতির উপরে চেপে বসে গেছে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা। সেখানে তো কবিতার বদলে শিখতে হবে খিস্তি-খেউড়, গিটারের বদলে প্রশিক্ষন নিতে হবে পাটকেল ছোড়ার। এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয়- এই দড়াটানাটানি একদিন থাকবে না, সেদিন নান্দনিকতার যে বিপুল চাহিদা তৈরী হবে, তা মিটবে কি দিয়ে? যুদ্ধের পরীখার ভিতরেও গর্ভবতী মা সন্তান প্রসব করে। আগ্নেয়গীরির পাশেও প্রেমিক-প্রেমিকার রোমাঞ্চের চাহিদা তৈরি হয়। আজ যদি আমরা মৌলিক শিল্প সৃজনের দিকে মনযোগী না হই তবে, সাহিত্য-ব্যবসায়ীরা ততপর হবে, মুনাফা লুটবে সস্তা বিনোদনের বদলে। বিনোদনের সাথে যে কিছু শিক্ষাও দিতে হয়, সে ভাবনা তো থাকে মৌলিক শিল্পানুরাগীর অন্তরে।~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

বঙ্গ রাজনীতি * রওশন আরা বেগম

রাষ্ট্রের থেকে যে কিছু পাওয়ার আছে এই বোধটি মানুষের মধ্যে আজও জাগেনি। আর অধিকার বোধ সেটি তো আরেক ধাপ উপরে। তেমনি হাসিনাও ঠিক এই ভাবেই এসেছে। তারা বাবা একটা দেশ দিয়েছিলেন। দেশ বাসী তা কোন দিনও ভুলেনি। শেখ মুজিব দেশ দিয়েছেন তবে দেশে সঠিক নেতৃত্ব বা সুশাসন তিনি কখনো দেখাতে পারেন নি। এই ব্যর্থতাকে মুজিব ভক্তরা মানতে নারাজ। তাকে যে ভাবে মারা হয়েছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসের কলঙ্কজনক একটা অধ্যায়। এর প্রতিদান হিসাবে বাংলার মানুষ হাসিনাকে বার বার ক্ষমতায় এনেছে। আমরা পেয়েছি বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবের বংশের ধারা। একটা দেশের প্রধান মন্ত্রী কেমন হবেন তা নির্ভর করে গোটা দেশের মানুষের চরি্ত্রের উপর। ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~