সাহিত্যসম্পূট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাহিত্যসম্পূট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

ফেসবুক বনাম সাহিত্যপত্রের কবিতা : তৈমুর খান



ফেসবুক বনাম সাহিত্যপত্রের কবিতা
তৈমুর খান

ফেসবুকে সাহিত্যচর্চা বর্তমানে যেভাবে বাড়ছে তাতে আনন্দিত এবং আশঙ্কিত হবার প্রবণতা দুই-ই দেখা দিচ্ছে । আনন্দিত এই কারণেই যে আমাদের মধ্যে সাহিত্যের জাগরণ ঘটছে । আশঙ্কার কারণ হল যে আমাদের মধ্যে প্রকৃত সাহিত্যের মর্যাদাহানি হচ্ছে । ফেসবুকের সাহিত্য এবং পত্র- পত্রিকায় প্রকাশিত সাহিত্যের মধ্যে বিস্তর ফারাক দেখা যাচ্ছে ।

কবিতা মায়া হরিণ : নাসির ওয়াদেন



কবিতা মায়া হরিণ
নাসির ওয়াদেন

       কবিতায় জীবনের সুখ দুঃখ, আনন্দ বেদনার শিল্পময় প্রতিধ্বনি খুঁজে পায়,অথবা মায়া হরিণের মতো মায়ামুগ্ধ মন নিয়ে কবি কবিতার ভেতর অনুভব করে এক চিরন্তনী শ্বাশত সৌন্দর্য, যা তার মানসপ্রতিমা রূপে আকর্ষন করে তাকে।

কবিতা আন্দোলন:~নাসির ওয়াদেন



কবিতা আন্দোলন:
প্রতি -কবিতা ও সিগনেচার  পোয়েম সম্পর্কে কিছু আলোচনা
নাসির ওয়াদেন

         " স্বপ্নের ভিতরে বুঝি --ফাগুনের জনস্বার্থ ভিতরে
          দেখিলাম পলাশের বনে খেলা করে
          হরিণেরা; রূপালি চাঁদের হাত শিশিরে পাতায়
          বাতাস ঝাড়িছে ডানা-- মুক্তা ঝরে যায়"

এক বিচ্ছিন্ন দূরত্বের অভিবাসী ~ তৈমুর খান


এক বিচ্ছিন্ন দূরত্বের অভিবাসী সত্যসাধন চট্টোপাধ্যায়
তৈমুর খান

যাঁকে আমার প্রথম যৌবনে পরিব্যাপ্ত এক আকাশ বলে দেখতে শিখেছিলাম, যাঁকে নিস্তরঙ্গ সমুদ্রের মতো ভাবতে শিখেছিলাম, যাঁকে সূর্যের ভাষা বলে বোধ জেগেছিল তাঁর কাছেই ভাসমান হতে, নিস্তব্ধ হতে, রোদ্দুর কণা হতে চেয়েছিলাম। দীক্ষা নয়, শিক্ষাও; গ্রহণ নয়, সঞ্চারওপ্রসন্নতা নয়, প্রজ্ঞাপারমিতাও। এরকম মানুষ আর দ্বিতীয়টি পাইনি। পৃথিবীতে তিনি মহাপৃথিবীর দেবতা।

প্রকৃত কবিতা নাথিংনেস্ প্রজ্ঞারই ভিন্নরূপ যাত্রা ~ তৈমুর খান



প্রকৃত কবিতা নাথিংনেস্ প্রজ্ঞারই ভিন্নরূপ যাত্রা

তৈমুর খান

সভ্যতার বৈশিষ্ট্য কী হবে তা আমরা জানি না।

মানুষের কেমন হওয়া উচিত তাও আমরা জানি না।

আধুনিকতা কাকে বলে সে সম্পর্কে আমাদের ধারণা যদিও স্পষ্ট করি, কিন্তু সম্পূর্ণরূপে আধুনিকও হতে পারি না। কারণ আধুনিকতার মধ্যেই আদিমতার প্রাগৈতিহাসিক বৈশিষ্ট্যকে আমরা বিসর্জন দিতে পারি না। পুনরাধুনিক কথাটির বহুল ব্যবহার আমাদের মধ্যে বাড়ছে। কিন্তু পুনরাধুনিক ব্যাপারটি আমরা শুধু শিল্পের কৌশলগত প্রকাশেই প্রয়োগ করে থাকি। শব্দ, আঙ্গিক, ক্রিয়ায় ও চিহ্ন ব্যবহারে পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে কবিতার ক্ষেত্রেই এই প্রয়োগ দেখতে পাই। কিন্তু অন্তরালে সভ্যতা, মানবিকতা এবং অস্তিত্বের জাগরণ ব্যাপারগুলি কিছুতেই এড়ানো যায় না। জীবন কিছুই নয়, অথবা, জীবনের কোনও অর্থ নেই।

লিটিল ম্যাগ ~ নাসির ওয়াদেন



লিটিল ম্যাগ
নাসির ওয়াদেন

লিটল ম্যাগ আঙ্গিকে ছোট হলেও, এর অন্তর্নিহিত রূপ ও দর্শন সুতীব্র গভীরে প্রোথিতবাঙালি কবি, সাহিত্যিকদের আঁতুড় ঘর এই লিটিল ম্যাগ বিশ্ব সাহিত্যের ক্ষেত্রেও বড় বড় কবি, প্রথিতযশা সাহিত্যিক বা প্রাবন্ধিকগণ এই আঁতুড় ঘরে জন্মলাভ করে লালিত পালিত হয়ে আসছেন লিটল ম্যাগের মাধ্যমে এ বিষয়ে অনেকের মনে এই ধারণা পোষণ হয়ে থাকে যে, লিটল ম্যাগ ব্রাত্য থেকে গেল, এর বিশেষ উন্নতি ঘটল না

মেঘমল্লার ~ রিয়া চক্রবর্তী



মেঘমল্লার
রিয়া চক্রবর্তী

"কাগজ আবিষ্কারের পূর্বে মানুষ প্রেমের কবিতা
লিখে রেখেছে আকাশে
সেই ভালোবাসার কবিতা এই বৃষ্টি,
এই ভরা বর্ষা।"
 মহাদেব সাহা

বাংলা কাব্যজগতে যে দুটি ঋতুর আনাগোনা বেশি তা হল বসন্ত ও বর্ষা। বসন্তে কোকিল ডাকে!  ফুল ফোটে। প্রকৃতি সাজে হরেক প্রসাধনে। তার একটাই ইচ্ছা, নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলা, অপরদিকে বর্ষার আবেদন চতুর্মুখী। বর্ষার স্বরূপ যেমন মনে কুহক জাগায় ঠিক তেমনি বিষাদও এনে দেয়।বর্ষার এই চতুর্মুখী আবেদনের কারণেই হয়তো বাংলা কবিতায় এর আতিথেয়তা অন্য ঋতুর তুলনায় বেশি।

অনন্তের পথে জাদু বাস্তবই কবির আত্মমুক্তির সোপান - তৈমুর খান



অনন্তের পথে জাদু বাস্তবই কবির আত্মমুক্তির সোপান
তৈমুর খান

ম্যাজিক রিয়ালিজম্, মার্ভেলাস রিয়ালিজম্ এবং ফেবুলিজম্ সব কথাগুলি একই গোত্রের ।  এসবের বাংলা করলে জাদু বাস্তবতা বা মায়া বাস্তবতা কথাগুলি পাই    মানুষের বাস্তব জীবন দুঃখ বিষাদ যন্ত্রণায় পূর্ণ ।  সেখানে না-পাওয়ার হিসেবই বেশি । সেই একঘেয়েমি শূন্যতা এবং ক্লান্ত বিপন্নতা থেকে মুক্তির জন্য একটা আলাদা জগতের খোঁজ করে ।  সে জগৎ রূপকথার, কল্পনার, স্বপ্নচারিতার এবং অলৌকিক বা অতিবাস্তবতার জগৎ ।  এই ধারাটির নামই 'জাদু বাস্তবতা'

শিল্প সাহিত্যে বিভিন্ন মতবাদের ক্রমবিকাশ : প্রসঙ্গে জিরো বাউন্ডারি কবিতা ~ নাসির ওয়াদেন


শিল্প সাহিত্যে বিভিন্ন মতবাদের ক্রমবিকাশ :
প্রসঙ্গে জিরো বাউন্ডারি কবিতা
নাসির ওয়াদেন

      শিল্প সাহিত্য জীবনের প্রতিচ্ছবি অঙ্কনের অন্যতম মাধ্যম। জীবনকে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে, বুঝতে শিল্পের মাধ্যমের কিংবা সাহিত্য রচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা যায়। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে শব্দের ধ্বনিগত পরিবর্তন যেমন ঘটে,তেমন শব্দের অর্থেও পরিবর্তন দেখা যায়। বিভিন্ন কারণে এই পরিবর্তন হওয়া এটা যেমন সত্য, তেমনি স্থান, কাল, পাত্র ভেদে, ভৌগোলিক কিংবা ঐতিহাসিক কারণেও পরিবর্তন ঘটে, আবার মনের নিভৃতে বিশ্বাস, আরামপ্রিয়তা, আলংকারিক প্রয়োগের মাধ্যমেও পরিবর্তন হতে পারে ।

রেজওয়ান তানিম - রবীন্দ্র চিত্রকলা: রেখায় রঙে আধুনিকতা

এ কথা প্রচলিত, রবীন্দ্রনাথ চিত্রকলায় আসেন প্রৌঢ় বয়সে। পাণ্ডুলিপির কাটাকুটি ঢেকে দেবার জন্য উদ্দেশ্যহীন আঁকাআঁকি, রেখায় রেখায় মেলবন্ধন, তার চিত্রকলার মূল জায়গা। শিল্পজগতে বিচরণ, ড্রয়িং এর সমালোচনামূলক মূল্যায়নে আগ্রহসৃষ্টি বেশ দেরিতে- জীবনের শেষ সতের বছরে। রবীন্দ্রমানষে চিত্রকলার উন্মেষ কখন ঘটে এই প্রশ্নের সদুত্তর পাওয়া দুষ্কর। একথা মনে রাখতে হবে জোড়াসাঁকোতে পারিবারিক আবহ ছিল শিল্পসাহিত্য বান্ধব এবং সমকালীন অন্য যেকোনো পরিবারের চেয়ে অগ্রসর। তাই একথা জোর দিয়েই বলা চলে শৈশব থেকেই চিত্রকলার সাথে তার পরিচয় ঘটে এবং তিনি তখনই চিত্রশিল্প চর্চায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন। ক্ষিতীশ রায় উল্লেখ করেন, তিনি রবি ঠাকুরের কিছু ড্রয়িং দেখেছেন। বুলবন ওসমান দাবি করেন, কবি ১৮৭৪-৮২ এই সময়কালে মালতি নামে একটি পুথির পাতায় ছবি আঁকতেন। তবে সে ছবি প্রথাগত চিত্রশিল্পীর মত নয়, বরং নিজের খেয়ালখুশি মত, নিজের জন্যে। ~~~~~

আশি বছরের পাঠ * রেজওয়ান তানিম

যে রবিঠাকুর বুদ্ধদের বসুর কাছে লিখিত পত্রে জীবনানন্দের কবিতাকে চিত্ররূপময় বলে উল্লেখ করেছেন সেই কবিগুরুর কাছেও অগ্রহণযোগ্য মনে হয়েছিল ক্যাম্পে। যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সুধীন দত্তের কাছে বলেন, জীবনানন্দ দাশের কবিতায় কোন স্টাইল নেই, আছে পাঁচমিশালী ভাব।১১ প্রকৃতপক্ষে বাংলা কাব্যজগতে রবীন্দ্রনাথের সমকালীন আর কোন কবি লেখকই তাদের আঙ্গিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক দিক থেক রবীন্দ্রনাথের থেকে এত বেশি পৃথক ছিলেন না। সেই ক্ষেত্রে চিরকালীন রোম্যান্টিসিজম ও আধ্যাত্মবাদের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনানন্দ দাশের মানবের চিরন্তন বিপন্নতা এবং না পাওয়ার বোধে ন্যুব্জ স্যুরিয়ালিস্টিক কবিতাটি ভাল না লাগাটাই ছিল স্বাভাবিক। ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~